আজ থেকেই শেষ হচ্ছে হাওর এলাকার সরকারী ত্রান বিতরণ

সুনামগঞ্জে হাওরের ফসলহারা কৃষকদের জন্য নেয়া সরকারি সহায়তা একে একে বন্ধ হয়ে আসছে। ফেয়ারপ্রাইসে চাল বিক্রির পর এবার বন্ধ হয়ে গেছে ওএমএস কার্যক্রম। চলতি মাসের শেষ দিকে বন্ধ হতে যাচ্ছে প্রান্তিক,ক্ষুদ্র চাষী ও দরিদ্রদের জন্য নেয়া বিশেষ ভিজিএফ কার্যক্রম। এরফলে বাঁচার উপায় খোঁজে দিশেহারা হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

অকাল বন্যা স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে হাওরের কৃষকদের। দুর্নীতি ও অনিয়মের কারনে নষ্ট হয়ে যায় সুনামগঞ্জের সব হাওরের ফসল। সোনালী ফসলের বদলে সরকারি সহায়তা পেয়ে কোন এতোদিন রকম বেঁচে ছিলেন তারা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শাল্লা উপজেলায়। গত ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শাল্লায় এক সভায় আশ্বাস দিয়ে ছিলেন আগামী ফসল উঠার আগ পর্যন্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার।

তবে এখনই কৃষকদের ত্রাণসহায়তা কমে আসছে। কমে আসছে বেসরকারি সহায়তাও। উদ্বিগ্ন কৃষকরা বলছেন দু-এক মাসের মধ্যেই ঘরে ঘরে অভাব প্রকট আকার ধারণ করবে।

১০ এপ্রিল ৪২টি নির্দিষ্ট সেন্টারে ১৫ টাকা কেজিতে চাল বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করে সরকার। চালু করা হয় ৬৮টি ওএমএস কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে ১৫ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি করা হতো। গেল ৩০ জুন বন্ধ হয়ে যায় ওএমএস কার্যক্রম। বিশেষ ভিজিএফও বন্ধ হয়ে যাবে ৩০ জুলাই।

পুনরায় ওএমএস চালু ও বিশেষ ভিজিএফের মেয়াদ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য সহায়তার চেষ্টা চলছে বলে জানান, শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment