রোহিঙ্গাদের ভাষাণচরে স্থানান্তর হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা স্থানীয়দের

রোহিঙ্গাদের ভাষাণচরে স্থানান্তরের কারণে নোয়াখালীর হাতিয়ায় বড় ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। প্রায় ১৫ হাজার একর ভূমির বন উজাড়ের কারণে মেঘনার বুকে জেগে উঠা দ্বীপটি আবারো বিলিনের শঙ্কা তাদের। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে নদীর গতিপথ পাল্টে গিয়ে বিলিন হতে পারে চরের অস্থিত্ব। তবে প্রশাসন বলছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষায় সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে দেড় লাখের আশ্রয়স্থল গড়ে তোলা হচ্ছে ভাষানচরে।  ১৫ হাজার একরের চরে গাছপালা কেটে গড়ে তোলা হচ্ছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ।

এ বিশাল জনগোষ্ঠি হয়ে উঠতে পারে প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে মাত্র চার বছর আগে জেগে উঠার চরে।

তবে ভাষানচর রোহিঙ্গা পুর্নবাসন প্রকল্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলছেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি তাদেরও বিবেচনায় রয়েছে।

আর নোয়াখালী জেলা প্রশাসক বললেন আপাতত সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নেই কাজ চলছে।

বর্তমানে হ্যালিপেড  ও পল্টুন তৈরিসহ অভ্যন্তরীণ চলাচলের জন্য সড়ক নির্মাণ কাজ চলছে। শিগগিরই শুরু হবে বেড়ী বাধ ও আবাসন প্রকল্প।

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment