শেষ হলো লালন উৎসব

কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে শেষ হলো বাউল সম্রাট লালন শাহের তিরোধান দিবস উপলক্ষে তিনদিনের লালন স্মরোৎসব। এক বছরের অপেক্ষা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন লালন ভক্ত ও সাধুরাও।

লালন ভক্তরা এক বছরের অপেক্ষায় থাকেন এমন প্রাণ দিয়ে গাওয়া সংগীতের আসরের জন্য। সোমবার বিকেলে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া উতসবের সমাপ্তি ঘটে বুধবার রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে।

বুধবার রাতে স্মরনোতসবের সমাপ্তি ঘোষনা করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া।

তিনদিনের মিলনমেলা শেষ হলেও লালনের আদর্শ ছড়িয়েছিটিয়ে দিতে সারাবছরই কাজ করবেন ভক্ত আর অনুসারিরা।

সাদা ভাত,মশলাবিহীন তরকারী আর শুধু তেল দিয়ে ভাজা ইলিশ মাছ দিয়ে পূর্ণসেবা। মিষ্টি পায়েশ দিয়ে বাল্যসেবায় ছিলো সাধু সঙ্গ।

সফেদ লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া আর মাথায় গেরুয়াই পাগড়ীই সংসার ত্যাগী মানুষগুলোর এমন মিলনমেলার জন্য অপেক্ষা করতে হবে এক বছর।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment