জাতির পিতা‘ বঙ্গবন্ধু’ শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে (১৯৭৫) শব্দের ব্যতিক্রম ধর্মী মহাকাব্য

মিলন খন্দকার, ইসলামী বিশ্বিবদ্যালয় থানা প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া

জাতির পিতা‘ বঙ্গবন্ধু’ শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী (১৯৭৫) শব্দের ব্যতিক্রম ধর্মী মহাকাব্যিক নিয়ে লেখাটি সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুপেরনা জাগিয়ে তুলেছে।

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার পশ্চিম আব্দালপুর গ্রামের ছেলে লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ মুর্তবা। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ নিহত সকল শহিদ কে উৎসর্গ করে এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মহাকাব্যিক একটি লেখা, যে লেখাটির প্রত্যেকটি শব্দ শুরু হয়েছে‘ ব’বর্ণ ও ‘ব’ধ্বনিদ্বারা যা সাহিত্যের ইতিহাসে বিরল।

অসম্ভব এই কাজটি সম্ভব করে দেখিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের মেধাবী শিক্ষার্থী। ‘বঙ্গবন্ধু’ কে “বিশ্ববন্ধু”নামে সম্বোধন করে লেখা একই বর্ণের“বিশ্ববন্ধু বঙ্গবন্ধু” শিরোনামের মহাকাব্যিক রচয়িতা করে আলোচনায় এসেছে আসিফমুর্তবা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে মহাকাব্যের বইটিতে লেখা প্রায় সকল বৈশিষ্ট্যের আঙ্গিকে সাজানো রয়েছে। ১৯৭৫টি শব্দ যা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুসহ নিহত সকল শহীদ কে উৎসর্গ করা হয়েছে। “বঙ্গবন্ধু” -এর ‘বঙ্গ’ ও ‘বন্ধু’শব্দ দুটি‘ব’বর্ণ দ্বারা শুরু হয়েছে। এছাড়াও বইটিতে রয়েছে অবাককরা অনেক চমক প্রদ বিষয় যা আলোড়ন সৃষ্টিকরেছে পাঠকের হৃদয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষর্থীরা বলেন, এই বইটির থেকে আমরা যারা আছি বঙ্গ বন্ধুর ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জান্তে পেরেছি। আমরা আরো জান্তে পেরেছি বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে এতো সুন্দর মহাকাব্যিক লেখা যায় সেটা আমাদের ধরনা ছিলনা। এই বইটিতে লেখা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বংলাভাষা সম্পর্ক জান্তে পেরেছি এবং আমাদের ভিতরে অনেক ধরানা এসেছে। তাই আমরা মনে করছি এই মহাকাব্যিক লেখা বইটি আগামীদিনের নতুন প্রজম্মকে অনেক উৎসাহিত করেতুলবে।

বাংলা বিভাগের অধ্যপক ড. হাবিব রহমান বলেন, পুরো কাব্যর লেখাটি সবগুলোই কিন্তু ব বর্ণ দিয়ে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে এধরনের মহাকাব্যিক লেখাটি এই সর্ব প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী লিখেছেন যেখানে ১৯৭৫ শব্দ ব বর্ণ দিয়ে লেখা। এই বইটি লেখারমধ্য দিয়ে সাধারন শিক্ষার্থীদের মাঝে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নতুন ভাবে পরিচয় করিয়ে দেবে। এই লিখাটি পড়ে নতুন প্রজম্ম ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. মোঃ হারুন উর-রশিদ আসকারী জানান, এ ধরনের একই বর্ণের মহাকাব্যিক টটোগ্রাম সাহিত্যের ইতিহাসে লেখা বিরল । কোন একদিন এই ব্যতিক্রমধর্মী মহাকাব্যিক ভাষায় মহান নেতা বঙ্গবন্ধু, বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাস দেশের গোন্ডি পেরিয়ে সকলের কাছে পৌঁছে যাবে আমি মনে করি।

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button