
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। শনিবার (২৫ মে) রাতে মোংলা বন্দর ও আশপাশের এলাকায় ৭ নম্বর বিপৎসংকেত জারি করা হয়েছে।বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে একটি কন্ট্রোল রুম। বন্দর চ্যানেলে অবস্থানরত ৬টি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদ অবস্থানে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে বিপদ সংকেত জারির পর থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান।
এর আগে শনিবার বিকেলে মোংলা উপজেলায় ১০৩টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারির পরেও রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে কোনো মানুষ আশ্রয় নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিশাত তামান্না জানিয়েছেন,আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ অবস্থান নিলে তাদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে। একইসঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়লে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের নিরাপদে সাইক্লোন সেল্টারে নেওয়া ও প্রচার প্রচারণার কাজে নেমে পড়ে ১৩২০ জন সেচ্ছাসেবক। শনিবার সন্ধ্যা থেকে এসব সেচ্ছাসেবক ও মোংলা পোর্ট পৌরসভার ডিজিটাল সেন্টার থেকে জনসাধারণকে সচেতন ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। রাত সাড়ে ১০টা পর থেকে মোংলা উপকূলে গুটি গুটি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বইছে। এর আগে সন্ধ্যার পর কিছু সময় গুটি গুটি বৃষ্টি হয় মোংলায়। নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে বন্দরের ৫ নম্বর জেটিতে নিরাপদ অবস্থানে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৪টি যুদ্ধ জাহাজ।