
নেত্রকোনায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নেত্রকোনা মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। অন্যদিকে, আজ ১০ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদারের কবল থেকে মুক্ত হয় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল।
কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে কাদেরিয়া বাহিনী গঠিত হবার পর টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সব মুক্তিযোদ্ধা এ বাহিনীর সঙ্গে একীভূত হয়ে পাকবাহিনী ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মাকড়াই যুদ্ধে কাদের সিদ্দিকীর হাতে গুলি লাগলে তিনি আহত হন, এতে মুক্তিকাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে কাদেরিয়া বাহিনী গঠিত হবার পর টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সব মুক্তিযোদ্ধা এ বাহিনীর সঙ্গে একীভূত হয়ে পাকবাহিনী ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
৭ ডিসেম্বর ভূঞাপুর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় ৮ ডিসেম্বর রাতেই ঘাটাইলের প্রত্যেক পাকবাহিনীর অব¯’ানে একযোগে আক্রমণ করা হবে। এ ধারাবাহিকতায় প্রত্যেক কোম্পানি কমান্ডারদের আক্রমণ¯’ল নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই লক্ষ্যে ৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে ৩০টি কোম্পানিতে বিভক্ত করে পাঁচটি মূল দলে ভাগ করে আক্রমণের ¯’স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
৯ ডিসেম্বর কাদের সিদ্দিকীর নির্দেশ অনুযায়ী কালিদাসপাড়া, গুণগ্রাম, ঘাটাইল সদর ও বানিয়াপাড়া সেতু একযোগে আক্রমণ করা হবে। সে পকিল্পনায় কাদের সিদ্দিকীর নির্দেশমতে ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত চতুর্দিক থেকে বৃষ্টির মতো গুলি ছুড়তে ছুড়তে ঘাটাইল থানা আক্রমণ করে মুক্তিবাহিনী। কাদের সিদ্দিকী নিজেই থানার পশ্চিম দিক থেকে আক্রমণ করেন। এ যুদ্ধে ৫০ জন পাকহানাদার নিহত ও ১৫০ জন বন্দি হয়। এই দিন ঘাটাইল পুরোপুরি হানাদারমুক্ত হয়। এইদিনে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে অমুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বন্ধের দাবীও জানালেন।